Voice Bangladesh পাবনা-৪ আসনটি হারিয়েছি সিরাজ সরদার ও ইউএনও এর কারণে : মোখলেসুর রহমান বাবলু - Voice Bangladesh

পাবনা-৪ আসনটি হারিয়েছি সিরাজ সরদার ও ইউএনও এর কারণে : মোখলেসুর রহমান বাবলু


ভয়েস বাংলাদেশ ডেস্ক মার্চ ৯, ২০২৬, ৯:৪৪ অপরাহ্ণ
পাবনা-৪ আসনটি হারিয়েছি সিরাজ সরদার ও ইউএনও এর কারণে :  মোখলেসুর রহমান বাবলু

পাবনা প্রতিনিধি :

ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক মেয়র এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য মোখলেসুর রহমান বাবলু  সোমবার (৯ই মার্চ) সকাল ১১টায় ঈশ্বরদী পোস্ট অফিস মোড়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন।

সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ৭ মার্চ শনিবার দুপুরে সাবেক সংসদ সদস্য সিরাজুল ইসলাম সরদার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের বাঘইলে তার নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলন করে পাবনা জেলা বিএনপির আহবায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব এবং ঈশ্বরদী উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে যে মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন কুরুচিপূর্ণ কথা বলেছেন তার প্রতিবাদ জানাই।
তিনি বলেন, পাবনা-৪ আসনটি আমরা হারিয়েছি প্রথমত জামায়াতের অনুসারী এখানকার ইউএনও এর ইঞ্জিনিয়ারিং এর কারণে এবং দ্বিতীয়ত সাবেক এমপি সিরাজ সরদারের ষড়যন্ত্রের কারণে। বিদ্রোহী প্রার্থীকে দাঁড় করিয়ে রাখার নাটের গুরু এই সিরাজ সরদার।

৯০ এর গণঅভ্যুত্থানের মহানায়ক, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব একজন সৎ, নির্ভীক, চরিত্রবান, সাহসী বিএনপির ত্যাগী নেতা। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলন, রাজপথের আন্দোলন সংগ্রাম, বারবার হামলা মামলা জেল জুলুমের শিকার হয়েছেন। এছাড়াও প্রতিনিয়ত আওয়ামী লীগ সরকারের বিপক্ষে টিভি টকশোতে জিয়া পরিবারের পক্ষে কথা বলায় জেল জুলুমের শিকার হয়েছেন। আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে বারবার রক্তাক্ত হয়েছেন। পাবনা জেলা বিএনপির আহবায়ক হওয়ার পর থেকে পাবনা জেলা বিএনপিকে তিনি তার মেধা এবং শ্রম দিয়ে ঐক্যবদ্ধ করতে সফল হয়েছেন যা ইতিপূর্বে কেউ পারেনি। হাবিবুর রহমান হাবিব পাবনা জেলার উপজেলা গুলোতে শিক্ষিত, সৎ ও যোগ্য নেতা কর্মীদের দিয়ে বিএনপির কমিটি উপহার দিয়েছেন।

আপনারা অবগত আছেন দীর্ঘ ১৭ বছর এই সিরাজুল ইসলাম সরদার আওয়ামী লীগের সাথে আঁতাত করে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছে। ১৭ বছর গনতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় ঘোষিত কোন কর্মসূচিতে সে ও তার উত্তরসূরীরা অংশগ্রহণ করেন নাই। সে কোনো হামলা মামলার, জেল-জুলুম, নির্যাতনের শিকার হয়নি দীর্ঘ ১৭ বছর।
আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি ও ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ ডিলুর সাথে আঁতাত করে চলেছেন। বাঘইল স্কুল এন্ড কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি থাকা অবস্থায় সাবেক এমপি শামসুর রহমান শরীফ ডিলু ভূমি মন্ত্রী হওয়ায় তাকে খুশি করতে প্রধান অতিথি করে লক্ষাধিক টাকার আতশবাজি ফুটিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন।

সিরাজ সরদার ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের প্রতীক, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার ছবি পুড়িয়েছেন। দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে ঝাড়– মিছিল করেছেন। এছাড়াও পাবনা জেলা বিএনপির আহবায়ক জনাব হাবিবুর রহমান হাবিবের উপর নৃশংস হামলার পরিকল্পনাকারীও তিনি।

সিরাজুল ইসলাম সরদার যিনি কিনা বিগত আন্দোলন সংগ্রামে কোনদিন মাঠে ছিলেন না তিনি আবার নতুন ষড়যন্ত্রের জাল বুনছেন। রাতের আঁধারে আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত এমপির সাথে গোপন আঁতাত আর দিনে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে চললেও তার আসল রূপ এখন সবার সামনে পরিষ্কার। অনতিবিলম্বে দল থেকে তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের জোর দাবি জানাচ্ছি। দলে কোনো বেইমানের জায়গা হবেনা।